করোনাভাইরাস: অতিবেগুনি রশ্মী দিয়ে ব্যাংকনোট জীবাণুমুক্ত

রোনাভাইরাস বিস্তার রোধে চীনে পুরনো ব্যাংক নোটের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এসব নোটকে জীবাণুমুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

পিপলস ব্যাংক অব চায়নার প্রধান ফান উফেই এমন তথ্য জানিয়েছেন।-খবর জি নিউজের

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছেন। এই মহামারী থামানোই যাচ্ছে না। তবে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই আরও কঠোর ও জোরদার করছে চীন সরকার।

দেশটির কয়েকটি শহর ইতিমধ্যে অচল করে দেয়া হয়েছে। ব্যাংকটি বলছে, ভাইরাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান ভূমিকা নিতে পারে মুদ্রা নোট। সে কথা মাথায় রেখে পুরনো নোটকে আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি দিয়ে কিংবা তাপ দিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে।

এর পর টানা ১৪ দিন ওই সব নোটকে ব্যাংকেই রেখে দেয়া হচ্ছে। তার পর তা বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত তাইওয়ান, ফ্রান্স, হংকং, ফিলিপাইন ও জাপানে পাঁচজনের প্রাণ গেছে। সব মিলিয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে দুই হাজার ৯ জনে।

চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্যানুযায়ী, নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে উহানসহ কয়েকটি শহর গত জানুয়ারি থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। রোববার থেকে পুরো হুবেইপ্রদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো ধরনের যানবাহন বের না করতে বলা হয়েছে বাসিন্দাদের। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কলকারাখানা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

এই হুবেইপ্রদেশের উহান শহর থেকেই গত বছরের শেষে নভেল করোনাভাইরাস ছড়াতে শুরু করে। দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসার কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।