১৩তম গ্রেডে বৈষম্য: আসছে কঠোর কর্মসূচি

সারাদেশের ৩ লাখ ৭৫ হাজার শিক্ষকের বেতন বাড়িয়ে চলতি মাসের ৯ তারিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেতন বাড়ানোর ফলে এই শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে (১১ হাজার টাকার) বেতন পাবেন। এতে বৈষম্য আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষকরা

শিক্ষকরা বলছেন, তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়েনি বেতন। সহকারী শিক্ষকরা আশা করছিলেন, তাদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে (১২৫০০ টাকা) উন্নীত করা হবে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবে সায় দেয়নি। বেতন স্কেল উন্নীতকরণের দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ গণমাধ্যমকে বলেন, যেখানে সহকারী শিক্ষকদের দাবি ১১তম গ্রেড, সেখানে ১৩তম গ্রেড দিয়ে নিয়োগবিধির অজুহাতে কাউকে বঞ্চিত করা শিক্ষকরা কখনও মেনে নেবেন না। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী যখন ১৪তম গ্রেডে বেতন উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন নিয়োগ যোগ্যতা এইচএসসি পাস থাকলেও এসএসসি পাস শিক্ষকরাও ওই গ্রেডের সুবিধা পেয়েছিলেন। তাহলে এখন কেন বেতনের জন্য নিয়োগবিধি অনুসরণ করতে হবে?

তিনি বলেন, খুব শিগগিরই তারা সব সংগঠন মিলে বসে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন।