প্রথম দিন মমিনুলের

প্রথম দিন মুমিনুলময়

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল মুমিনুলময়। দিনশেষে তিনি হাসিমুখেই সাজঘরে ফিরে গেছেন। বাংলাদেশও স্বস্তিদায়ক ইনিংস গড়েছেন। চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের খেলার পর বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ৩৭৪ রান। আর মুমিনুল হক ১৭৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন। তার সাথে ৯ রান নিয়ে রয়েছেন মামুদুল্লাহ রিয়াদ।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মুশফিকুর রহীমও। তিনি ৯২ রানে আউট হয়েছেন।

দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহীম জুটি। মুমিনুল তো আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। তিনি এখন যাচ্ছেন ডবল সেঞ্চুরির দিকে। অন্যদিকে মুশফিক সেঞ্চুরির কাছাকাছি। মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ আজ ২ উইকেট নিয়েই খেলা শেষ করবে। কিন্তু না। হঠাৎ আক্রমণ লাকমলের। দুই বলে দুই ব্যাটসম্যান আউট। মুশফিক আউট হলেন ৯২ রান করে। আর লিটন দাস তো রানের খাতাই খুলতে পারলেন না। দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছিলেন লাকমাল। ওভার শেষ হয়ে যাওয়ায় ওই ওভারে তিনি তা করতে পারেননি। তবে এক ওভার পরে এলেও হ্যাটট্রিকটি করতে পারেননি।
সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়ে মুশফিক যেমন হতাশ হয়েছেন, দর্শকদেরও হতাশ করেছেন।

এর আগে তামিম ইকবাল ৫২ এবং ইমরুল কায়েস ৪০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

মুশফিকের ১০০০ রান

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে এক হাজার রান পূর্ণ হলো বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের। আজ থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচের প্রথম দিন মধ্যাহৃ-বিরতির কিছুক্ষণ পর এই ভেন্যুতে এক হাজার রান পূর্ণ করেন মুশফিক। ফলে বাংলাদেশের সাতটি টেস্ট ভেন্যুর মধ্যে তৃতীয় একহাজার রান পূর্ণ করা ব্যাটসম্যান হলেন মুশফিক। বাংলাদেশের ভেন্যুগুলোর মধ্যে বর্তমানে টেস্ট ফরম্যাটে একমাত্র ১ হাজার রান করা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৬ ম্যাচে ১২৩৩ রান রয়েছে সাকিবের। এই ভেন্যুতে ১৫ ম্যাচে ১১১৯ রান তামিমের।

শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে নামার আগে এই ভেন্যুতে এখন পর্যন্ত ১৩ ম্যাচের ২৩ ইনিংসে ৯৯৮ রান করেছিলেন মুশফিক, গড় ৪৫.৩৬। এরমধ্যে ১টি সেঞ্চুরি ও ৬টি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। এই ভেন্যুতে ১টি মাত্র সেঞ্চুরি ২০১০ সালে করেছিলেন মুশি। ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৪ বলে ১৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০১ রান করেন তিনি। তারপরও টেস্টটি ১১৩ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ।
এই ভেন্যুতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তামিম ইকবালের। ১৪ ম্যাচের ২৬ ইনিংসে ৮৫৫ রান রয়েছে তামিমের। ১৪ ম্যাচের ২৫ ইনিংসে ৭০৭ রান নিয়ে তৃতীয় স্থানে সাকিব আল হাসান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.