দেশপ্রেমই কি কাল হতে যাচ্ছে উখিয়ার ইউএনও’র কি করেননি তিনি!

নুরুল বশর কক্সবাজার উখিয়া প্রতিনিধি।

কক্সবাজার জেলার উখিয়াবাসির জন্য ও স্থানীয় জনগণের কল্যাণে কি করেননি তিনি।রোহিঙ্গা আগমনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত উখিয়া বাসির হয়ে নিরলসভাবে রাত দিন কাজ করে যাওয়া ব্যক্তির নাম বর্তমান Uno Ukhiya নিকারুজ্জামান
চৌধুরী। যেখানেই সমস্যা সেখানে মুহূর্তেই ছুটে গেছেন তিনি। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক এনজিওগুলোর জবাবদিহীতা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় গরীব ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী যাতে এনজিওগুলো থেকে সমান সুবিধা পায় তার জন্য কাজ করেছেন । রোহিঙ্গা আগমনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এনজিওগুলোর অর্থায়নে মেরামত করার ব্যবস্থা করেছেন। সামনে স্থানীয় জনগণের জন্য আরো কি করা যায় তার জন্য এনজিওগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্থানীয় জনগণের পক্ষে এনজিও সমন্বয় সভা সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বারবার বলেছেন,লিখেছেন।এইতো ক’দিন আগের কথা,এনজিওগুলোর গাড়ি আটকে দিয়ে তিনি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এতে কিছু-কিছু এনজিও তাঁর উপর চরমভাবে ক্ষুব্ধ ছিলো। তবুও তিনি স্থানীয় বেকার শিক্ষিত যুবকদের চাকরি দেওয়ার জন্য এনজিওগুলোকে বারবার তাগাদা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি কিছুটা সফল হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এনজিওগুলো তার কথা শোনেনি। তাই স্থানীয় জনগণের পক্ষে কথা বলায় এনজিও
গুলো তাঁর পেছনে লেগেই ছিল। আমাকেও কিছু কিছু এনজিও কর্মকর্তা বলেছেন,এখানে আপনাদের ইউএনও সাহেবের জন্য কাজ করা যাচ্ছে না। তাহলে বোঝাই যায় ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরীকে সরাতে পারলেই যেন তারা বাঁচে!
শোনা যাচ্ছে,তাঁরা তৎপরতা চালাচ্ছে, তাকে অন্যত্র বদলি করার জন্য! কথা হচ্ছে,সরকারের চাকরি করতে গেলে বদলি হতেই হয়,কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় রোহিঙ্গাদের হুমকির মুখে রয়েছে স্থানীয়রা,রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হাতে অস্ত্র শোভা পাচ্ছে,যে কোন মুহূর্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এই অবস্থায় নিকারুজ্জামান চৌধুরীর মতো সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিয়ে স্থানীয় জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারে এরকম লোক বড্ড প্রয়োজন!
এবং উখিয়া বাসী তাহার প্রয়োজন সার্বক্ষণিক অনুভব করছে।