গ্রাহক চল্লিশ হাজার ॥ ক্যাশিয়ার একজন ॥

নাহিদ পারভেজ, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)

প্রতিনিধি চল্লিশ হাজার গ্রাহকের বিপরীতে ক্যাশিয়ার রয়েছে মাত্র একজন। ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা স্বল্প পরিসরে জায়গায় লাইনের দাড়িয়ে থেকে বিদ্যুৎ বিল দিতে হচ্ছে গ্রাহদের। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে গ্রহকরা এমন ভোগানিত্মর স্বীকার হলেও সমাধানের উদ্যোগ নেই পটুয়াখালীর কলাপাড়া পলস্নী বিদ্যুৎ সমিতির। ফলে প্রায়শমই ঘটছে বাদনুবাদসহ অনাকাংখিত ঘটনা।
কলাপাড়া পলস্নী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়া পলস্নীবিদ্যুৎ জোনের আওতায় কলাপাড়া, মহিপুর, তালতলী ও আমতলী উপজেলার (আংশিক) ২২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে ৪২ হাজার দুই’শ ৮৫জন। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কলাপাড়া শাখাসহ সকল ইউনিয়ন তথ্য সেবা, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং টেলিটকের মাধ্যমে এসব গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল গ্রহন করা হচ্ছে। প্রচারনাসহ অজ্ঞতার কারনে জিজিটাল পদ্ধতিতে বিল পরিশোধের আগ্রহ নেই গ্রাহকদের। ফলে ওপেনিং দিন গুলোতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য সমিতির কার্যালয়সহ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ভীড় লেগে যায় গ্রাহকদের। কলাপাড়া পলস্নী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের বিল গ্রহন শাখায় রয়েছে মাত্র একজন ক্যাশিয়ার। ফলে দুর দুরান’ থেকে আসা গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে থেকে দিতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল। দীর্ঘ লাইন দেখে বিল না দিয়েই ফিরে যাচ্ছেন অনেক সময় ফিরে যাচ্ছেন গ্রাহক।
বিদ্যুৎ বিল দিতে আসা ধানখালীর মানিক মিয়া জানান, দেড় ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে আছি। এখনও বিল দিতে পারিনি। পৌর শহরের শাহিন মৃধা জানান, দুই দিন বিল দিতে এসে বড় লাইন দেখে ফিরে গেছি। ষাটোর্ধ্ব রহমান মিয়া জানান, এক ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থেকে সময় শেষ হওয়ায় আর বিল দিতে পারিনি। আজ আবার আসলাম কত সময় লাগবে বুঝতে পারছিনা। ক্যাশিয়ারের সংখ্যা বাড়ানোসহ আরও কোন ব্যাংকের সাথে চুক্তি করলে সাধারন গ্রাহকদের ভোগানিত্ম অনেকটা কমত।
কলাপাড়া পলস্নী বিদ্যুুৎ সমিতির ডিজিএম শহিদুল ইসলাম জানান, দুইজন ক্যাশিয়ার ছিল। বর্তমানে একজন ক্যাশিয়ার রয়েছেন। তাই সমস্যা হচ্ছে। উর্ধ্বতন কতৃপড়্গকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রম্নত সমস্যা সমাধান হবে। আরও ব্যাংকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছি।