নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কে স্থগিত নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি!

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
গত ১২ মার্চ নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন কে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস লিখে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগ এনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১৭ (খ) ধারা দেখিয়ে নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর সম্বলিত সংগঠনের প্যাডের এক বিবৃতিতে ৩ (তিন) মাসের জন্য সাংগঠনিক পদ (সহ-সভাপতি) স্থগিত করে নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগ।

এ ব্যাপারে সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন ভিন্নমত পোষণ করে স্বাক্ষর সহ একটি লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করে এবং তাকে উদ্দেশ্য করে প্রেরণকৃত স্থগিতাদেশের সাথে দ্বিমত পোষণ করে। এ প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন তার ফেসবুকে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, আমার সহ-সভাপতি পদ অনৈতিকভাবে কোন কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই গঠনতন্ত্রের ১৭/খ ধারা মোতাবেক ৩ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে যা আমি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি। অামি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ বা উস্কানিমূলক কোন কাজের সাথে কখনো জড়িত ছিলাম না। ইতিপূর্বে জেলা ছাত্রলীগের অনেক পদধারী অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা সত্ত্বেও সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক তাদের বিরুদ্ধে কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই। আমি মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি চাওয়ায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার সহ-সভাপতি পদ স্থগিত করেছে বলে আমি মনে করি। নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের এই কমিটির শেষ হয়েছে। ছাত্রলীগের একজন সাংগঠনিক কর্মী হিসেবে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি দাবি করা আমার অধিকারের মধ্যে পড়ে।

আরিফ তার বিবৃতিতে আরো জানান, অামি শীঘ্রই আমার স্থগিতাদেশ তুলে নেয়া সহ নতুন কমিটির জোর দাবি জানাচ্ছি। অামি এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সুদৃষ্টি অাকর্ষণ করছি।