রাজশাহীতে সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো, টার্গেট নির্বাচন

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজশাহী অঞ্চলে সংগঠিত হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, আনসার আল ইসলাম ও হিযবুত তাহরীর। তবে তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে তৎপর র‍্যাব ও পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে পুলিশকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। র‍্যাব বলছে, এই নির্বাচনকে টার্গেট করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে রাজশাহী অঞ্চলে সংগঠিত হচ্ছে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, হিযবুত তাহরীর ও আনসার আল ইসলাম। সম্প্রতি র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য বেরিয়ে আসে।

র‍্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম বলেন, নাটোরের কিছু অংশ এবং পুঁঠিয়া চারঘাটের কিছু অংশে হিজবুত তাহরিরের অল্প কিছু এবং আনসার আল ইসলামের বেশ কিছু সদস্য সক্রিয় ভাবে কাজ করছে।

তবে পুলিশ বলছে, নির্বাচনে কোন গোষ্ঠী যাতে সহিংসতা ঘটাতে না পারে সে লক্ষ্যে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম যাতে পরিচালিত না হয় মানুষ যাতে সুন্দর ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাবো।

আর জেলা রিটার্নিং অফিসার জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এস. এম. আব্দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে পর্যাপ্ত ফোর্স নিয়োগ করা হবে। টহল ফোর্স থাকবে। র‍্যাব থাকবে পুলিশ থাকবে বিজিপি থাকবে। সেনাবাহিনীও থাকবে। আমরা আশাকরি উৎসবমুখর পরিবেশে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

গত চার বছরে পুলিশ ও র‍্যাবের অভিযানে এই অঞ্চলে ১৪ জন জেএমবি সদস্য বন্দুক যুদ্ধে মারা যায়। আর গ্রেপ্তার হয় অন্তত পঁয়তাল্লিশ জন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা জঙ্গির অর্ধেক জামিনে রয়েছে।