পিরোজপুরে আগ্নেয়াস্ত্র, পেট্রল বোমাসহ ৩ জামায়াত নেতা আটক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার প্রচেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নিশ্চিত পরাজয়ের শংকায় জামায়াতের মতো যুদ্ধাপরাধী সংগঠন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরোধীতা করে গেছে সব সময়, তারা মরণ কামড় দেয়ার চেষ্টা করছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্কতা সত্ত্বেও গত ২ মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে, যাকে বিশ্লেষকরা ‘কিলিং মিশন’ আখ্যা দিয়েছেন।

এরইমধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র, পেট্রল বোমা ও ককটেলসহ পিরোজপুরে জামায়াতে ইসলামীর ৩ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আটক ৩ জন হলেন- পিরোজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর অর্থ সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন জুয়েল (৪৮), জেলা জামায়াতে ইসলামীর সদস্য মো. শওকত আলী (৪২) ও মো. নুরুল ইসলাম (৩৫)।

পুলিশ তাদের কাছ থেকে ১টি পাইপগান, ৬ রাউন্ড গুলি, ৫টি পেট্রল বোমা, ৪টি ককটেল, ৪টি রাম দা, ৩টি চাপাতি, ৩টি চাকু, ১৬টি জিআই পাইপ ও ২টি হকিস্টিক উদ্ধার করেছে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও আটক করা হয়।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক জানান, পিরোজপুর বাইপাস সড়ক এলাকায় পুলিশের নিয়মিত চেকিং কার্যক্রম চলাকালে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে বাগেরহাটের দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসকে থামতে বলা হয়। চালক মাইক্রোবাস না থামিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ মাইক্রোবাসটির পিছু নিলে সেটি বাইপাস এলাকার সাঈদী ফাউন্ডেশনের মাঠে ঢুকে পড়ে এবং গাড়িতে থাকা লোকজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ ৩ জনকে আটক করে এবং মাইক্রোবাস তল্লাশি করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটক ৩ জন জামায়াতে ইসলামীর নেতা। তারা নির্বাচন কেন্দ্র করে নাশকতার উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসে করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় দু’টি মামলা দায়ের করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।