ভোলায় দুই বাপ বেটার মিথ্যা বিচার আদালতের কাছে জিম্মি হয়ে আছে একটি পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার::
ভোলা সদর উপজেলা পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ হান্নান অভিযোগ করে বলেন, জাহাঙ্গীর দর্জি ও তার ছেলে কবির গত কয়েক মাস ধরে আমার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে আমাকে বলে, তোমার দুই বছরের বাচ্চাকে দেখাশুনার জন্য তোমার ছোট শালিকে তুমি বিয়ে করো, এই ধরনের অনেক প্রস্তাব আমাকে দিয়ে আসছে জাহাঙ্গীর দর্জি। হান্নান আরো জানায় আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে আমার দুই বছরের ছোট্ট ছেলেকে আমার শ্বাশুড়ির কাছে নিয়ে রেখেছে।

আমি একদিন আমার ছেলের সাথে দেখা করার জন্য ঢাকা গাজীপুর আমার শ্বশুর বাড়ি যাই বাড়িতে যাওয়ার পরে। হঠাৎ করে সেখানে জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে কবির, সখিপুর বাজার ভোট ঘড় এলাকার থেকে কাজী নিয়ে এসে আমার ছোট্ট ছেলেকে ভালো করে দেখাশোনা করবে আরো অনেক ভুলভাল বুঝি আমাকে এক পর্যায়ে বিবাহ পড়াই জাহাঙ্গীরের ছোট বোনের বাসায়।

বিয়ের হওয়ার পর আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে আমার নিজ বাসায় তে চলে আসি, আমার বউকে নিয়ে যখন সংসার করা শুরু করেছি একমাস হয়ে গেছে আমাদের সংসার করার বয়স একদিন আমার স্ত্রী বলে আমি সহ তার বাবার বাড়ি যাবে, ওকে নিয়ে চলে যাই আমার শ্বশুর বাড়ি গাজীপুর যাওয়ার পরে তারপরের দিন আমরা চলে আসব এসময় আমার শাশুড়ি বলেছে ও কয়দিন আমাদের বাসায় বেড়াবে তারপর আমি চলে আসি আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্টানে।

আসার পর কয়েকদিন পর পূর্বে আমার স্ত্রীকে আমার ছোট শালার সাথে নিয়ে আসতে বলি আজ না কাল কাল না পরশু এভাবে ৮ দিন হওয়ার পর আমি সেখানে আমার স্ত্রীকে আনতে যায়, সেখানে যাওয়ার পর আমার শাশুড়ি জাহাঙ্গীর কবির কে ফোন দেওয়ার পরে আমাকে হঠাৎ করে বলে আমার শাশুড়ি আমার স্ত্রী কে দিবেনা।

তারপরে আমি জাহাঙ্গীর দর্জি কে বিষয়টি জানালে তিনি আমাকে বলে তোমাদের কোনো বিবাহ হয়নি উল্টা আরো বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে আমাকে কোন পাত্তাই দিচ্ছে না।

তারপরে আমি জাহাঙ্গীর দর্জির বাসায় যাই সেখানে যাওয়ার পরে জাহাঙ্গীর দর্জি আমাকে বলে আমি এক মসজিদের খাদেম এর সাথে যোগাযোগ করেছি তোমাদের বিয়ের বিষয়টি বলেছি তিনি বলে কোনো বিবাহ হয়নি এখন আমার সিদ্ধান্ত যদি তুমি মেনে নাও ভালো হবে।

তার পর আমাকে বলে তুমি আমাকে ২০ হাজার টাকা দাও আমাকে আমি এই মেয়ে কে তোমার কাছ থেকে আলাদা করে দিব।

টাকা নেওয়ার পরে জাহাঙ্গীর আমাকে বলে ও টাকা তো হয়নি আরো কিছু টাকা দাও তারপর আমি টাকা না দেওয়ার কারণে উনি আমার সাথে তাল মিলিয়ে বলে, আমি তোমাকে আমার আরেকটা বড় বোনের মেয়ে আছে ওর সাথে কাজী অফিসে নিয়ে বিবাহ দিব তোমার সাথে।

ওই মেয়ে সাথে তুমি কোনো কথা বলবানা যাই হয় সেটা আমি বুঝব, হান্নান আরো জানান কাবিনের কোন টাকা দিতে হবে না তুমি আমাকে ৫০ হাজার টাকা দাও আমি সবমিট করে দেবো।

তারপর আমি বলি আমিতো আমার বউকে তালাক দিব না কেন আপনি তালাক দেওয়ার কথা বলছেন বিবাহ না হলে কাজী নিয়ে কিসের বিবাহ পড়াইছেন আমার সাথে। উনি আমাকে উত্তর দিলেন বেশি কথা বললে এই মেয়েকে দিয়ে নারী নির্যাতন মামলা করে তিন শিকের ভিতরে ঢুকিয়ে রাখবো তারপরে আমি ওনার উল্টাপাল্টা কথা শুনে চলে আসি।

চলে আসার কিছুদিন পরে উনার ছেলে কবির আমার কাছে এসে বলে ভাইয়া যাই হয়েছে আপনার একটা সমাধান তো এখন প্রয়োজন আমার কথা শুনলে আমি সমাধান করে দেব আমি উত্তর দিয়েছি আমার বউকে এনে দাও। ওদের বাপ ছেলের মিথ্যা নাটকের কছে
আমার সাজানো গোছানো সংসার ভেঙ্গে দেওয়ার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে জাহাঙ্গীর এবং তার ছেলে কবির।

মোহাম্মদ হাননান সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পরে সংবাদ প্রকাশিত হলে কবির সাংবাদিকে এবং এই নিরহ পরিবার রয়েছে কবিরের হুমকির মুখে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে জানিয়েছেন সাব আজকে জানিয়েছেন কবির।

ভুক্তভোগী প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার দাবি করেছে।