“নীতির রাজা রাজনীতি” কে সুপ্রতিষ্ঠিত করি”আব্দুল কাদের জিলানী

আল্লাহ সর্ব শক্তিমান, আসসালামু আলাইকুম।

আমার প্রানপ্রিয় দেশবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন, নিশ্চয়ই ভালো আছেন ? আমি ভালো আছি।

এই ভদ্রলোকের অপরাধ ছিলো কি বলুন,

ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ সাহেবের??

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেনঃ- ২০০৭ ইং সালের ১২ই জানুয়ারি থেকে ২০০৯ ইং সালের ৬ই জানুয়ারী পর্যন্ত।

উনি নাকি দেশ ও জাতির অনেক ক্ষতি করেছে, ওনাকে জাতীয় বেঈমান বলে অনেকে চিহ্নিত করেছেন।

আমাদের সকলের সৌভাগ্য হয়েছিল এই লোকটার শাসন কাল নিজ চোখে দেখার।

উনি আসলেই একজন জাতীয় বেঈমান কারণটাঃ-

১. এই লোকটার আমলেই সাধারন মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করতে পারতো,

২. এই লোকটার আমলেই যেকোন পুলিশি সেবা নিতে ঘুষ লাগতো না,

৩. এই লোকটার আমলেই কোন সরকারি অফিসে কাজের জন্য ১ টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি,

৪. এই লোকটার আমলেই মেয়েরা নিরাপদে চলাচল করতে পারতো, এমনকি রাত ১০ টার পরেও যদি কোন মেয়ে রাস্তা দিয়ে একা চলাচল করতো কোন লোক ছিলো না যে ইভটিচিং বা বিরক্ত করবে,

৫. এই লোকটার আমলেই বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ষন সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিলো, ধর্ষন ছিলো না বললেই চলতো,

৬. এই লোকটার আমলেই চাকরি নিতে কোন প্রকার ঘুষ লাগতো না,

৭. এই লোকটার আমলেই কোন মারামারি হানাহানি, গাড়ি ভাংচুর, রাস্তা অবরোধ হতো না বা হয়নি,

৮. এই লোকটার আমলেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু বলতে কোন কথা ছিলো না, সবাই সমান অধিকার ভোগ করেছেন,

৯. এই লোকটার আমলেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া হতো, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন মারামারি ছিলো না, কোন লেখাপড়ার পরিবেশ নাষ্টকারী ছাত্রনেতাও ছিল না,

১০. এই লোকটার আমলেই রাস্তাঘাট, বাজার, গাড়িতে এক কথায় কোথাও চাঁদাবাজি ছিলো না। কোন গাড়ির মালিক/ড্রাইভার বলতে পারবে না যে গাড়ি চালাতে গিয়ে রাস্তায় ১ টাকাও চাঁদা দিতে হয়েছে,

১১. এই লোকটার আমলেই অমোক ভাই, তমোক ভাই, পাতি নেতা, এলাকার মাস্তান ছিল না, টেন্ডার নিয়ে মারামারি ছিলো না,

১২. এই লোকটার আমলেই সকল দুই নাম্বার ব্যবসা বন্ধ ছিলো,

১৩. এই লোকটার আমলেই সরকারি সেবা বলতে যা বুঝায় তা সাধারণ মানুষ কোন ঘুষ তদবির ছাড়াই পেয়েছেন, অনেক সস্তি ছিলো সবার জীবনে,

১৪. এই লোকটার আমলেই সব আকাম, কুকাম, মদ, জুয়া নারী বাজি বন্ধ হয়ে ছিলো,

১৫. এই লোকটার আমলেই পাসপোর্ট নিতে কোন ঘুষ লাগতো না, ভূমি অফিসে কোন ঘুষ লাগতো না,

এয়ারপোর্টে কাউকে হয়রানির শিকার হতে হতো না,

১৬. এই লোকটার আমলেই রাস্তার ট্রাফিক পুলিশ একটা টাকার চা খাওয়ার সাহস দেখানি,

১৭. এই লোকটার আমলেই মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারতো, গুম ও খুন যাওয়ার ভয় থাকতো না,

এজন্যই আমরা সবাই তাঁকে জাতীয় বেইমান বলি, আমাদের স্বার্থে আঘাত লাগলেই কেউ ভাল না, তাঁকে আমরা দুচোখে দেখতে পারি না।

তবে আজকে তাঁর মতো যদি হতে পারতাম? এই দেশটাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতাম ইনশাল্লাহ।

সর্বশেষ আমি বলতে চাইঃ- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গর্ভিত আদর্শের রাজনীতি বর্তমান (বাংলাদেশ) কে দেখি না,

আমি ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদের গর্ভিত আদর্শের রাজনীতি বর্তমান (মালেশিয়া) কে দেখি না,

আমরা দেখেছি ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ কে,

উনিই দেখিয়ে গেছেন যে, দেশকে কি ভাবে দূর্নীতি, ঘুষ মুক্ত করতে হয়, তাই আসুন আমরা সবাই আদর্শের ভিত্তিতে দেশকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গড়ে তুলি,

“নীতির রাজা রাজনীতি” কে সুপ্রতিষ্ঠিত করি,

ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ উনিই দেখিয়ে গেছেন দেশের মানুষের নিরাপত্তা কাকে বলে।

উনিই দেখিয়ে গেছেন জনগনের টাকা কাছে থাকে, তখনই আমরা বুঝতে পেরেছি কালো টাকা কাকে বলে?

কেউ পছন্দ না করলেও এই খারাপ লোকটাই আমাদের জন্য ছিলো একজন আদর্শের মহাপুরুষ।

“দূর্নীতি বাজ নিপাত যাক

গনতন্ত্র মুক্তি পাক”

আমি লায়ন মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টি- বিএসপি।

আসুন আমরা সবাই আদর্শের ভিত্তিতে দেশকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গড়ে তুলি,

“হীরার টুকরো মাটিতে রুপান্তরিত করি” এই মাতৃভূমিকে।

বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রহিলো আপনাদের সকলের প্রতি।

বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টি- বিএসপিতে যোগদানের আহবান করছি।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন দোয়া করি এবং বাংলাদেশের জনগণকে বাঁচতে চাই, আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হেফাজত করবেন ইনশাল্লাহ, আল্লাহ সর্ব শক্তিমান।