কলাপাড়ার নীলগঞ্জে ৩ কিঃমিঃ রাস্তা বর্ষায় চলাচল অনুপোযোগী ছোয়া লাগেনি উন্নয়নের

নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন) কলাপাড়া
পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর,কলাপাড়ার নীলগঞ্জের ১ নং ওয়ার্ডের ৩ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা এখন চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি উপজেলা পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের অতি প্রয়োজনীয় এ রাস্তা টিতে। তাই জনমনে ক্ষোভের দীর্ঘশ্বাস বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, ঢাকা কুয়াকাটা মহাসড়ক সংযুক্ত করে শেখকামাল সেতুর নিচ দিয়ে সোজা পুর্ব দিকে একটি বেরীবাধ রয়েছে। যা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন নীলগঞ্জ ইউনিয়ন কে বন্না ও দূর্যোগের জলোচ্ছ্বাসের
হাত থেকে রক্ষার জন্য বহু বছর পর্বে নির্মান করাহয়। বেরীবাধের এ রাস্তাটি সংলগ্ন একটি আবাশন কেন্দ্র সহ তিনটি গ্রামের কয়েকশত পরিবার বসবাস করছে। কলাপাড়া পৌর শহরের কলাপট্রি, বাদুর তলি, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের জয়বাংলা, ও চাপরাশি বাড়ি এ-ই ৪ টি খেয়াঘাট এই রাস্তা টির সাথে সংযুক্ত রয়েছে। তাই রোজ কয়েক হাজার মানুষ এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে। এ রাস্তা সংলগ্ন
১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার ও ২ টি
হাফিজিয়া মাদ্রাসা রয়েছে। তাই প্রতিদিন কয়েকশত ছাত্র, ছাত্রীর যাতায়াত। এই ৩ টি গ্রামের মানুষ,স্কুল, কলেজ গামী শিক্ষার্থী, চিকিৎসা প্রার্থী রোগী কলাপাড়া উপজেলা শহর ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক পথ এটি। শুকনার দিনে মানুষ স্বাছন্দে যাতায়াত করতে পারলেও বর্ষায় চরম বিপাকে পরতে। বর্ষা মৌসুম আসলেই রাস্তায় হাটু পানি জমে থাকে ও সমস্ত রাস্তা কর্দমাক্ত হওয়ার কারনে ছাত্র- ছাত্রী দের বিদ্যালয়ে যাওয়া ব্যাহত হয়। চলতে গিয়ে কোথাও হাটু সমান কাদায় পা আটকে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কাচা কাছি হওয়ার কারনে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা অসুস্থ রোগী ও সাধারন জনগনের যাতায়াত একেবারে অসম্ভব হয়ে পরে। তাই কয়েক হাজার মানুষ চিকিৎসা থকে বঞ্চিত হয়। এলাকা বাসি, পথচারী, ছাত্র- ছাত্রী,চিকিৎসা নিতে আসা রোগীসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রানের দাবি সংস্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি পাকা করে চলাচল উপযোগী করে দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব করবে।

এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জনাব মোহর আলী বলেন,রাস্তা টির স্কিম প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাস্তাটি পাকা করার কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করা যায়। তবে রাস্তা টির উপর পল্লি বিদ্যুৎ এর পিলার থাকার কারনে স্কিম প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। পিলার সরানোর ব্যাপারে পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে আমি একটি চিঠিও দিয়েছি কিন্তু এখনও কোন অগ্রগতি দেখছিনা। বিদ্যুৎ এর পিলার সরানো না হলে রাস্তা টির উন্নয়ন কাজ বিঘ্নিত হতে পারে বলেও তিনি জানান।