কলাপাড়ার বালিয়াতলী খেয়াঘাটটি এখন জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরশীল।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী খেয়াঘাটটি এখন জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছে। সামান্য জোয়ারে এর দু-পাশের পল্টন পানির নিচে চলে যায়। ফলে চড়ম ভোগান্তিতে পরছে জরুরী সেবায় নিয়োজিত রুগীবাহী গাড়ীসহ কয়েক হাজার মানুষ। জানা যায়, উপজেলার বালিয়াতলী, লালুয়া, মিঠাগঞ্জ, ধুলাসার ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এ পথ দিয়ে উপজেলা শহর কলাপাড়ায় যাতায়াত করে। কুয়াকাটাগামী বিকল্প সড়ক হিসাবেও এ খেয়াঘাটের পরিচিতি রয়েছে। অথচ সামান্য জোয়ার হলে ডুবে যায় বালিয়াতলী খেয়াঘাটের এই গাংওয়েটি। অথচ এ খেয়া দিয়ে প্রতিদিন পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সবচেয়ে বেশী ভোগান্তিতে পরতে হয় শিশু, বয়ঃবৃদ্ধ ও রোগীদের।
খেয়ার যাত্রী রেজাউল ইসলাম জানান, জোয়ারের সময় এ খেয়াঘাট দিয়ে আসলে আমাদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।
রাসেল মিয়া জানান, এখন জোয়ার জানলে এ খেয়া পারাপার হতাম না। কস্ট হলেও অন্য পথ দিয়ে ঘুরে আসতাম।
বালিয়াতলী খেয়াঘাট ইজারাদার মো. মুসা গাজী জানান, পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষ এ খেয়া দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। জোয়ার হলে এ খেয়া দিয়ে মানুষ যাতায়াত করতে পারে না।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, বালিয়াতলী খেয়াঘাটটি দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলিত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে অল্পতে এ গাংওয়ে ডুবে যায়। অতিসত্ত্বর এটি মেরামতের ব্যবস্থা করবো। তাৎক্ষনিক ভাবে বালুর বস্তা ফেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।