পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামায়াত সংক্রান্ত নির্দেশনা।

সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশাবলী অনুসরণপূর্বক বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণক্রমে নিম্ন বর্ণিত শর্তসাপেক্ষে ১৪৪১ হিজরি/২০২০ খ্রি. সালের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামায়াত আদায়ের জন্য অনুরোধ করা হল:
১. মুসল্লীদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদগাহ বা খােলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামায়াত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরােধ করা হলাে। প্রয়ােজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।
২. ঈদের নামাজের জামায়াতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানাে যাবে না। নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লীগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
৩. করােনা ভাইরাস সংক্রমণ রােধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে ওযুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
৪. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৫. ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত মুসল্লীকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
৬. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দুরুত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে।
৭. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
৮. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়ােজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
৯. করােনা ভাইরাস সংক্রমণ রােধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানাে পরিহার করতে হবে ।
১০. খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
১১. উল্লিখিত নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রাণঘাতি করােনা ভাইরাস সংক্রমণ রােধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
এই নির্দেশনাসমূহ স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, পুলিশবাহিনী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ কে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য অনুরোধ করা হলো।